শুক্রবার, সকাল ৬:১০, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রবিবার, ২৯, মে, ২০২২ 130 বার পড়া হয়েছে

মালদ্বীপ দূতাবাসে প্রবাসীদের মিলন মেলা

মালদ্বীপ প্রতিনিধি

মালদ্বীপের বাংলাদেশ দূতাবাসে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পয়লা বৈশাখ-১৪২৯। শুক্রবার (২৮ মে) দূতাবাসের উদ্যোগে মালদ্বীপে কর্মরত শ্রমজীবী প্রবাসীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী ও এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনার এস এম আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিশনের প্রথম সচিব মো. সোহেল পারভেজ, নাওমী নাহরীন আজাদ, মিশনের তৃতীয় সচিব মো. মিজানুর রহমান ভুঞা।

প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গ্লোবাল রিচসের চেয়ারম্যান সিআইপি আলহাজ্ব সোহেল রানা, ভিউ কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন, ডা. খন্দকার লিয়াকত আলী হেড অব কার্ডস অ্যান্ড ডিজিটাল ব্যাংকিং, ঢাকা ট্রেডার্সের চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন, ফোর এল ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান হাদিউল ইসলাম, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স মালদ্বীপ শাখার ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম, ফুড অ্যান্ড ফুড প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক মো. নুরে আলম রিন্টু, এনবিএল মানিট্রান্সফার প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর হান্নান খান কবির, ম্যানেজার মাকসুদুর রহমান, স্কাইনেট ইসভেস্টমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক মো. মানিক হোসাইন, প্রবাসী ব্যবসায়ী কাসেদুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রবাসীদের এই মিলন মেলায় রাষ্ট্রদূত বলেন, সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকেই পয়লা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। তখন সবাইকে বাংলা তারিখের চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। এর পরের দিন অর্থাৎ পয়লা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা পয়লা বৈশাখ উদযাপন করি।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী পেশাজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আরো খবর

বাংলাদেশে পর্তুগালের কনস্যুলার সেবা চালু করার আহ্বান

পর্তুগাল প্রতিনিধি

পর্তুগাল সফরে রয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম। সফরকালে তিনি দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়সহ অভিবাসন, শিক্ষার্থীদের ভিসা জটিলতার অবসান এবং বাংলাদেশে পর্তুগিজ দূতাবাস বা কনস্যুলার সেবা চালু করার বিষয়ে জোরালো আহ্বান জানান।

সফরের প্রথম দিনে বুধবার (২৫ মে) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পর্তুগিজ সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট আডাও জোযে ফনসেকার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। ওই বৈঠকে দুপক্ষের সংসদীয় কমিটির সঙ্গে আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বাংলাদেশে দূতাবাস বা কনস্যুলেট সেবা চালু এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সফরের দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পর্তুগালের সমুদ্র সম্পদ মন্ত্রী ড. আন্তোনিও কস্তা সিলভার সঙ্গে পরিবেশ বিপর্যয় এবং সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় দ্বিপাক্ষিকভাবে কাজ করার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন। পর্তুগাল এবং বাংলাদেশ ভৌগলিক অবস্থান থেকে উপকূলবর্তী হওয়ায় বিষয়টি দুটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

তাছাড়া রাজধানী লিসবনের মাকাউ কালচারাল সেন্টারে সফররত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ফ্রান্সিস্কো আন্ড্রে, পর্তুগালে বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি পর্তুগিজ গবেষক জোসেফ মাপরিল, পর্তুগালে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারিক আহসানসহ দ্বিপাক্ষিক একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

ওই সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্জন সবার সামনে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে দুদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের ইতিবাচক মনোভাব উপস্থাপন করেন। পর্তুগিজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং এশিয়া বিষয়ক পরিচালক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ সফরকে একটি মাইলফলক ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করেন এবং পর্তুগিজ সরকারের ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঢাকা পোস্টকে বলেন, পর্তুগাল সরকার বাংলাদেশের উন্নতি প্রত্যক্ষভাবে খেয়াল করছে এবং বিষয়টি আমাদের বিভিন্ন বৈঠকে তারা আমাদের জানিয়েছেন এবং আজকের সেমিনারে আপনারা পর্তুগালের পররাষ্ট্র সচিবের বক্তব্য থেকে তা জানতে পেরেছেন। আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন এবং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। পর্তুগালকে ঋণাত্মক জনসংখ্যার দেশ হিসেবে অভিবাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।


ট্যাগস :
নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
সবশেষ নিউজ