বৃহস্পতিবার, সকাল ৮:১৫, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বৃহস্পতিবার, ০২, জুন, ২০২২ 173 বার পড়া হয়েছে

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৯৩ টাকা

এইদিন এইরাত ডেস্ক

ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে এক হাজার ৩৩৫ টাকা থেকে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম দাঁড়ালো এক হাজার ২৪২ টাকায়।
বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে এ ঘোষণা দেন বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এ দাম কার্যকর হবে।
দাম ঘোষণার সময় তিনি বলেন, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে (ভোক্তা পর্যায়ে) মূসক ব্যতীত মূল্য প্রতি কেজি ৯৭ টাকা ৩ পয়সা এবং মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০৩ টাকা ৫০ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। সে অনুযায়ী রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির মূসকসহ মূল্য এক হাজার ২৪২ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।
বিইআরসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, বুধবার রাতে সৌদি আরামকো কোম্পানি তাদের দাম ঘোষণা করেছে। আমরা সারা রাত সদস্যরা বসে দাম সমন্বয় করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান ও বার্কের সচিব মো. খলিলুর রহমাসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো খবর

ভোজ্যতেলের দাম কমার আশ্বাস ,টিপু মুনশি

এইদিন এইরাত ডেস্ক

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভোজ্যতেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমায় তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে। দ্রুতই দেশে ভোজ্যতেলের দাম কমবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ জুন) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চা দিবস উপলক্ষে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমছে, ইন্দোনেশিয়াও রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার তেলের দাম সমন্বয় করবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এক-দুমাস আমরা রিঅ্যাসেস করবো। ৫-৭ দিনের মধ্যে মে মাসের পুরো তথ্য নিয়ে রিভিউ করবো। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, আজকে দাম কমেছে। আজকের দামের প্রভাব দেশের বাজারে ফেলতে সময় লাগবে এক থেকে দেড় মাস।’
টিপু মুনশি বলেন, ‘সুখবর যেটা পাম অয়েলের দাম কমেছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সয়াবিনের দামও কমার দিকে। আগামী ৬-৭ দিনের মধ্যে যে সভা হবে, সেখানে অ্যাসেস করে দেখে নতুন দাম নির্ধারণ করা হবে। নতুন দাম অনুযায়ী দামটা কমবে। পাম অয়েলে তো যথেষ্ট প্রভাব পড়বে বলে মনে করি।’
চালের দাম বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মূলত চাল কনট্রোল করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে আমাদের সাহায্য চাইলে, সাহায্য করবো। যতটুকু জেনেছি, খাদ্য মন্ত্রণালয় আটটি টিম কাজ করেছে। এসব টিম ইতিমধ্যে বেরিয়ে পড়েছে বিস্তারিত জানার জন্য এবং কতটুকু স্টক আছে, তা বের করার চেষ্টা করছে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে কোনো কিছুর সুফল পেতে হলে সময় দিতে হয়। আশা করছি, এ সপ্তাহের মধ্যে তারা আরও ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবে। আমাদের দেশে চালের অভাব নেই, যা দরকার তা আছে। কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা হচ্ছে।’


ট্যাগস :
নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
সবশেষ নিউজ